চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি পুনর্গঠন, কারা পেলেন স্থান
সরকারি অনুদানের জন্য পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্বাচন ও তদারকির লক্ষ্যে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’ এবং ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই ও তত্ত্বাবধান কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. শারমিন আখতার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র) কে এম আবদুল ওয়াদুদকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই ও তত্ত্বাবধান কমিটি’ পুনর্গঠন করা হয়েছে।
অনুদান কমিটিতে যারা জায়গা পেলেন
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (চলচ্চিত্র)। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি), সরদার সানিয়াত হোসেন, স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন স্পেশালিস্ট এবং প্রযোজক, প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম (থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), আওলাদ হোসেন (সভাপতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি), রুমানা ইসলাম মুক্তি, অভিনেত্রী।
বাছাই ও তত্ত্বাবধান কমিটিতে জায়গা পেলেন যারা
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই ও তত্ত্বাবধান কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (চলচ্চিত্র-২)। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (চলচ্চিত্র), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (বিসিটিআই) প্রধান নির্বাহী, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের সভাপতি জহিরুল ইসলাম কচি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাধারণ সম্পাদক মো. রাহাত মিয়া (রাহাত সাইফুল), চিত্রনাট্যকার এ কে এম মেজবাহ উদ্দিন, অভিনেতা-নির্মাতা মো. আ. রহিম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক উপমহাপরিচালক ও গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য কামরুন নেসা হাসান।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, চলচ্চিত্র শিল্পে মেধা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা, নতুন নির্মাতাদের সুযোগ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে প্রতি বছর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান করা হয়। সেই অনুদানের জন্য জমা পড়া গল্প ও চিত্রনাট্য যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ প্রদান এবং অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের নির্মাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করবে নবগঠিত দুই কমিটি।
What's Your Reaction?