সরকারী চাকুরির প্রলোভন দিয়ে ৮লাখ ৫০হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে
মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে সরকারি দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে ৮লাখ ৫০হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছরিয়ে পরে এবং জেলা জুরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
আজ বুধবার দুপুরে মাদারীপুরে কর্মরত গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে রকি নামের এক যুবক এ অভিযোগ করেন
ভুক্তভোগী রকি। রকি গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, আমি যশোর এমএম কলেজ থেকে অনার্স পাশ করে বেকার জীবন কাটাচ্ছিলাম। পারিবারিক বিভিন্ন রকম চাপে ও বেকারত্বের কারনে খুবি হতাশার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছিলাম। এ-সময় বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ভাবে চাকুরি পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছিলাম। এক পর্যায়ে মাদারীপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে কর্মরত সরকারি চাকুরীজীবী ও মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের মহিষমারী গ্রামের মৃত আনছার আলির ছেলে সোহরাব হোসেন দিপুর সাথে পরিচয় হয়। সোহরাব হোসেন দিপু আমার বেকার জীবনের কথা শুনে একটি চাকুরী দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। এরি মধ্যে সোহরাব হোসেন দিপু ও আমার মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরী হয়। কিছু দিন পরে সোহরাব হোসেন দিপু আমাকে সরকারী চাকুরী দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে ১০লাখ টাকা দাবি করেন। আমি ধারদেনা করে ১০লাখ টাকার মধ্যে ৮লাখ ৫০হাজার টাকা সোহরাব হোসেন দিপুকে প্রদান করি এবং চাকুরী হলে বাকি ১লাখ ৫০হাজার টাকা নিয়োগের পর সোহরাব হোসেন দিপুকে প্রদান করা হবে। তবে তাদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকায় কোনো ডকুমেন্টস না রেখে সরল বিশ্বাসে সোহরাব হোসেন দিপুর হাতে টাকাগুলো তুলে দেই। এ দিকে চাকুরী দেওয়ার সময় শেষ হয়ে গেলেও চাকুরী দিচ্ছেন না দিপু। একপর্যায়ে তাকে দেয়া টাকা ফেরত চাইলে তা দিতে সময় চেয়ে তালবাহানা করতে থাকেন। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে রাগারাগি ও ক্রমাগত আত্মীয়তার সম্পর্কে ফাটল ধরতে থাকে। একপর্যায়ে টাকার জন্য সোহরাব হোসেন দিপুকে টাকার জন্য চাপ দিলে সে কোর রকম টাকা দেওয়ার ব্যাবস্থা নেন না। উল্টো আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে সোহরাব হোসেন দিপু। মামলায় আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় সোহরাব হোসেন দিপুর কাছে তার পাওনা টাকা ফেরত চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহরাব হোসেন দিপু ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে আমাকে মারধর করেন অভিযুক্ত। এ বিষয়ে একটি মামলাও করা হয়। ভুক্তভোগী রকি আরো বলেন, গত ২০২২ সালের জানুয়ারী মাসে দেয়া সারে আট লাখ টাকা চার বছর পার হয়ে গেলেও তা তিনি ফেরত পাননি তিনি। হতাশ হয়ে সু-বিচারের দাবীতে দ্বারেদ্বারে ঘুরেও পাওনা টাকা পাচ্ছেন না। উল্টো সোহরাব হোসেন দিপু তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছেন। আমি অপরাধী সোহরাব হোসেন দিপুর বিচার চাই এবং আমার পাওনা
৮লাখ ৫০হাজার টাকা ফেরত চাই।
অভিযুক্ত সোহরাব হোসেন দিপুর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি কারও থেকে কোনো টাকা পয়সা নেননি বরং অভিযোগকারীর কাছেই টাকা পান বলে উল্টো অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে যানতে মাদারীপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষর কাছে গিয়ে তাকে পাওয়া যায় নি।
What's Your Reaction?