প্রতিবন্ধী স্বামী ছেলে রেখে পরকীয়া প্রেমিকের সংসারে লিজা
খলিল ,সাভার ঢাকার আশুলিয়া থানার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পাশে ইসলামনগর গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে আলী হাসান রাজীব এর সাথে প্রায় ১৭/১৮ বছর আগে ২০০৮ সাথে ময়মনসিংহ গফরগাঁও এর মেয়ে বর্তমান ইসলামনগর বসবাস কারি সামছুল হক এর মেয়ে সামছুননাহার লিজার সাথে ধর্মীয় মোতাবেক বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসার হাসি-খুশি ভাবে ভালই চলছিলো। স্বামী আলী হাসান রাজীব মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ করে ভালো টাকাই আয় করতো। তাদের দামপত্ব জীবনে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। বর্তমান ছেলের বয়স ১২ বছর নাম লাবিব হাসান মুন। ছেলের মা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করার শুভাদে একই গ্রামের আলী আকবর এর ছেলে কামরুল হাসান তৌফিক এর সাথে পরিচয় হয়। কামরুল হাসান তৌফিক এর ঘরে প্রথম স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। লিজার স্বামী প্রতিবন্ধী হওয়ায় সুযোগ নেন তৌফিক। পরিচয় সুত্র ধরে লিজা ও তৌফিক আরো ঘনিষ্ঠ হয়। এদিকে লিজাও প্রতিবন্ধী স্বামীর ভরণপোষণ করতে নারাজ ও শারীরিক চাহিদা মেটাতে না পারায় তৌফিক এর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। লীজার লোভী পিতা-মাতাও চায়না রাজীবের সংসারের ঘানি টানার জন্য মেয়েকে রাখতে। গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ লিজা তার বাবা মাকে সাথে নিয়ে কাজী অফিসে গিয়ে একতরফা অর্থাৎ স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক কাজটি সমপন্ন করে। এদিকে তালাকের সময় ৩ মাস ১৩ দিন পার হওয়ার আগেই লিজা তৌফিককে দ্বিতীয় বার বিয়ে করে। এঘটনায় লিজা , লিজার বাবা ও লিজার দ্বিতীয় স্বামী তৌফিককে তাদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তারা কেহই ফোন রিসিভ করে নি। এক পর্যায়ে লিজার বাবা সামছুল হক এর মুঠোফোনে কল করলে তার স্ত্রী শিউলি আক্তার রিসিভ করে কথা বলতে নারাজ প্রতিক্রিয়া জানান। এর পরও অনুরোধ করে তার সাথে কথা বললে সে জানান এখানে সাংবাদিক এর কিসের কাজ। মেয়েতো বিয়ে করে চলে গেছে শশুর বাড়ি অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামীর সংসারে । লিজা তার প্রথম স্বামীকে তালাক দেওয়ার পরও দ্বিতীয় স্বামীর পাশাপাশি প্রথম স্বামীর সংসারে ছিলো প্রায় ১ মাস অর্থাৎ দুই স্বামীর সাথেই সংসার করতো। এসব ঘটনা এলালাবাসি জানতে পারলে ২৫ শে মার্চ রাজীবের বাড়ি থেকে চলে যায় লিজা। এসব বিষয় প্রথম স্বামী রাজীবের কাছে জানতে চাইলে রাজীব জানান আমার স্ত্রী আমাকে মারধর করতো , কিল ঘুসি সহ লাঠি দিয়ে আমাকে মারতো। আমি প্রতিবন্ধী হওয়ায় কোনো প্রতিবাদ করতে পারতাম না। তাকে বুঝাতে চাইলে সে স্থানীয় মাস্তান ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্রদের দিয়ে আমাকে মারার হুমকি দিত। ঘটনাস্থলে গিয়ে পাথালিয়া ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা তোফাজ্জল বলেন এগুলো পারিবারিক বিষয় এখানে সাংবাদিক এর কি কাজ। এছাড়াও এক মাস আগে তালাক হওয়া স্ত্রী প্রথম স্বামীর ঘরে সংসার করাকেও স্বভাবিক ভাবে দেখছেন এই নেতা। যেখানে প্রথম স্বামীকে বিনা কারণে তালাক দেওয়া , অন্য পুরুষের সাথে পরকীয়া করা, মেয়ের বাবা-মা স্বাক্ষী থেকে মেয়েকে দিয়ে তালাক করানো ও অন্য পুরুষের প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্বেও সেই সংসারে দ্বিতীয় স্ত্রী হয়ে গিয়ে সেই সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করছে এগুলোর কোনো বিচার না করে সেই স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা এগুলোকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে এবং সাংবাদিক সেখানে কেন গেলো তাদেরকে জেরা করে। স্থানীয় জনগণ এ ঘটনাকে ধিক্কার জানিয়েছে এবং নেক্কারজনক ঘটনা বলে অবহিত করেছে। এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটায় তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোরো শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয় জনগণ।
What's Your Reaction?