শিশু ও যুবদের সুরক্ষায় খেলাধুলা-বান্ধব পরিবেশ গঠনে সাতক্ষীরায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মোঃ কামাল উদ্দিন সাতক্ষীরা ঃ শিশু ও যুবদের সুরক্ষা, সুস্বাস্থ্য ও ইতিবাচক বিকাশ নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটিতে খেলাধুলা ও শরীর চর্চায় অংশ গ্রহণ জোরদারের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় জেলাপর্যায়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারী সংগঠন ‘ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স’ এর আয়োজনে শনিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হুসাইন শওকত।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতারের সভাপতিত্বে ও ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর সাতক্ষীরা জেলা ইসচার্জ শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিষ্ণুপদ পাল, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন, জেলা মহিলা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংবাদিক ফয়জুল হক বাবুসহবিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ হুসাইন শওকত বলেন, “শিশুদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখতে হবে। তাহলেই তারা মাদক, মোবাইল ফোনসহ যে কোনো অনাকাঙ্খিত আসক্তি থেকে দূরে থাকবে।” তিনি আরো বলেন, সাতক্ষীরা খেলাধুলার জন্য সম্ভাবনাময় একটি জেলা হলেও এখানে পর্যাপ্ত খেলাধুলার অবকাঠামো নেই। শিশুদের জন্য উপযুক্ত খেলার মাঠ তৈরিতে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বিশেষ করে নারীদের জন্য একটি পৃথক ও নিরাপদ খেলারমাঠ স্থাপনে জেলা প্রশাসনকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার বলেন, “শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ শিশু-কিশোরদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করে। স্কুল শেষে শিক্ষার্থীরা যাতে অযথা কোচিং নির্ভরতায় না পড়ে, সেজন্য সরকারি কোচিং নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরায় খেলাধুলার পরিবেশ উন্নয়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও ক্রীড়া সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে জেলার খেলাধুলার মাঠগুলো পর্যায়ক্রমে খেলার উপযোগী করে তোলা সম্ভব হবে।##
০৬.১২.২৫
What's Your Reaction?