মাদক চক্রের অপপ্রচারের শিকার বিএনপি নেতা গাউসুল আজম শাহীন—প্রতিবাদ
স্টাফ রিপোর্টার : জামালপুর পৌর শহরের হাটচন্দ্রা এলাকায় সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন জামালপুর জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক ও জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব গাউসুল আজম শাহীন। স্থানীয় বাসিন্দা সাদিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে অভিযোগ করেন। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে বিএনপি নেতা গাউসুল আজম শাহীন বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার। গাউসুল আজম শাহীন অভিযোগ করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারী সাদিকুল ইসলামের বাবা শফিকুল ইসলাম এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত। বর্তমান সরকার দেশে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণার পর থেকেই তিনি নিজ এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী চক্র তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি জানান,শনিবার রাতে হাটচন্দ্রা পশ্চিমপাড়া মসজিদের একটি সমস্যা সমাধানে স্থানীয় মাদ্রাসায় আলোচনা চলছিল। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি মাদকাসক্ত অবস্থায় সেখানে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের প্রতিরোধের চেষ্টা করে এবং পরে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গাউসুল আজম শাহীন আরও অভিযোগ করেন, ওই ঘটনার পর শফিকুল ইসলাম নিজ ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে সেটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা শুরু করেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ইতোমধ্যে জামালপুর সদর থানায় অবগত করা হয়েছে এবং প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে তা রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার অপচেষ্টার কারণে এলাকায় তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে। এলাকাবাসী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম সহ সকল মাদকসেবীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেন। এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা গাউসুল আজম শাহীন জোর দিয়ে বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আমার অবস্থান অব্যাহত থাকবে। অপপ্রচার বা হুমকিতে আমি পিছু হটবো না। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারী ও এলাকার চিহ্নিত মাদকসেবীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেন তিনি। ২৯-০৩-২০২৬
What's Your Reaction?