কিশোরগঞ্জে কর্মকর্তারা থাকেন বাড়িতে, বসতঘরে চলে পোস্ট অফিসের কাজ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।
ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল কোথায় আছেন? বাড়ীতে থেকেই অফিস করেন। তথ্য চাইলে স্যার যেদিন থাকবো সেইদিন আইসেন। অফিস ভিজিট করেন তো তাই অফিস কক্ষ বন্ধ থাকছে। দ্বিতীয় অফিস প্রধান তিনিও আছেন অফিসের কাজে বাইরে। সংস্থাপন কর্মচারীর সংখ্যা ও চলমান কাজে নিয়োজিত দাপ্তরিক ও মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা সম্পর্কেও তথ্য জানান দিতে অপারগ। দপ্তরে সিটিজেন চার্টার সাটানো না থাকায় দপ্তরের সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে অজানাই থাকতে হয় আগন্তুক কে। যা প্রজাতন্ত্রের নাগরিক সেবার চরম অন্তরায়ই নয় এটা দপ্তরের স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলার মতো। গতকাল( বৃহ্শঃ বার)৩০ অক্টোবর ২০২৫ খ্রীঃ সকাল সাড়ে দশটার কথা। কিশোরগঞ্জ সদরের পুর্ব কাতিয়ারচর ডিপিএমজি কিশোরগঞ্জ কার্যালয়টি কর্মকর্তা শূন্য পাওয়া যায়। দূর্বল ব্যবস্হাপনা ও কর্তব্য কাজে উদাসীনতা এবং সরকারী কাজে শৈথিল্যতা প্রমাণ করছে তাদের সেবার মান সর্ম্পকে।
অপরদিকে কেএস মিল ইডিএসও টি দীর্ঘ দিন ধরে চলছে বসতবাড়ীতে। জনগণের ডাক সেবা দেয়ার নূন্যতম পরিবেশ যেখানে নেই জনদুর্ভোগ কি পরিমান তা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। যশোদল কাটাখালী সিকদার সড়কে সংযোগ যুব গণ পাঠাগার এর নামে একটি রেজিস্ট্রার্ড পত্র ১১ দিন পর বিলি হওয়ায় কেএসমিল পোস্টাল ইডিএসও নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে স্হানীয় কিছু গণমাধ্যমকর্মী। পোষ্টম্যান গোপাল সরকার নিজেও স্বীকার করেন কেএস মিল - ইডিএসও পূর্বতন কিশোরগঞ্জ সুগার মিলস্ বর্তমান শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর অভ্যন্তরে একটি কক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা। তার আবেগি ভাষায় প্রাণের আকুতি মেডিকেল কলেজ অভ্যন্তরে ক্ষুদ্র একটি কক্ষদিলে স্বাচ্ছন্দে বাকী জীবনটা ডাক সেবা দিয়ে যেতে পারতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ডিপিএমজি ( গ্রেড-৬) মিঠুন চন্দ্র দাস এব্যাপারে কি পদক্ষেপ নিয়েছেন তা জানতে তার কার্যালয়ে পাওয়া যায় ভিন্ন চিত্র।
What's Your Reaction?