মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে ঠিকাদারের কার্পেটিংয়ের ঝুটে আগুন
মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুর সদর উপজেলায় দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে ঠিকাদারে ১লাখ ৫০হাজার টাকার কার্পেটিংয়ের ঝুটে আগু দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি আজ বুধবার মধ্যরাতে ঝাউদি ইউনিয়নের মাদ্রা গ্রামে মাদ্রা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঠিকাদার মোঃ বাবুল আকন বাদি হয়ে মাদারীপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ও ঠিকাদার সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর থানাধীন ঝাউদী ইউনিয়নের মাদ্রা গ্রামে মাদ্রা পাকার মাথা হইতে মাদারীপুর সদর পৌরসভা বাউন্ডারী ওয়াল সড়কটির পাকা করণ কাজের কন্ট্রাক্ট প্রাপ্ত হন। এর পর রাস্তার কাজ শুরু করার পরপর প্রায় ০৬ মাস পূর্বে স্থানীয় অজ্ঞাতনামা কয়েক জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আমার পরিচালিত উল্লেখিত সরকারী রাস্তার কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করতে থাকে। আমি তাদের চাঁদা প্রদান না করায় সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন সময়ে আমাকে এবং উল্লেখিত সরকারী রাস্তার মেরামতের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদেরকে হুমকি ধামকি প্রদান পূর্বক খুন জখম করার ভয়ভীতি দেখাইয়া আসিতেছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় আজ রাতে অজ্ঞাতনামা উল্লেখিত সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন মাদ্রা স্কুল এন্ড কলেজের মাঠে থাকা নির্মান সামগ্রী কার্টেপেটিংয়ের ঝুট পেট্রল নিক্ষেপ করে আগুন লাগাইয়া পোড়াইয়া দেয়। যাহার ফলে আনুমানিক ১,৫০,০০০/-(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতি সাধন হয়। নির্মানকাজে নিয়োজিত থাকা টলি গাড়ির ডালা এবং ভিটুমিনের ব্রেল চুরি করিয়া নিয়া যায়। এতে ঠিকাদারের আনুমানিক ৫০,০০০/- টাকার ক্ষতির সাধন হয়। এ ব্যাপারে ঠিকাদার মোঃ বাবুল আকন বলেন, ঝাউদী ইউনিয়নের মাদ্রা গ্রামে মাদ্রা পাকার মাথা হইতে মাদারীপুর সদর পৌরসভা বাউন্ডারী ওয়াল সড়কটির পাকা করণ কাজ শুরু করার পর থেকেই স্থানীয় সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া
সরকারী রাস্তার কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করতে থাকে তাদের কে চাঁদা না দিলে তারা আমার কার্পেটিংয়ের ঝুটে আগুনদেয় এবং নির্মানকাজে নিয়োজিত থাকা টলি গাড়ির ডালা এবং ভিটুমিনের ব্রেল নিয়া যায়। আমি তাদের শাস্তির দাবি করছি। এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান,,আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনা স্থান পরির্দশন করেছি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
What's Your Reaction?