লালমোহন হাসপাতাল সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
চরফ্যাশন ভোলা প্রতিনিধি।
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিশেষ করে দৈনিক সংবাদর পাতা-তে প্রকাশিত লালমোহন হাসপাতালে নিয়োগই ছিলো না, তবুও একাধিক দায়িত্ব পালন করতেন মিজান” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর।
প্রকাশিত উক্ত সংবাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সামাজিক মর্যাদা ও প্রশাসনিক ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। বাস্তবে প্রতিবেদনে বর্ণিত কোনো তথ্যই সত্য নয়।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকল নিয়োগ, দায়িত্ব বণ্টন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিধি মোতাবেক সম্পন্ন হয়ে থাকে। মিজানুর রহমান” নামে যার নাম উক্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি কোনো অনিয়ম বা বেআইনি কাজে জড়িত নন। বরং তিনি হাসপাতালের প্রয়োজন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া প্রতিবেদনে উল্লেখিত "প্রধান সহকারী মো. নুরুজ্জামান” ও “স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৈয়বুর রহমান-এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। উভয় কর্মকর্তা দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
প্রকাশিত প্রতিবেদনের লেখক কোনো ধরনের তথ্য যাচাই না করে, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনের অনুমোদন কিংবা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়ার ন্যূনতম সাংবাদিকতা নীতিও অনুসরণ করেননি। যা গণমাধ্যমের নীতিমালা ও সাংবাদিক আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আমরা এ ধরনের ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট নিউজ পোর্টালকে অবিলম্বে সংবাদটি প্রত্যাহার করে দুঃখপ্রকাশ করার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
সত্যতা যাচাই ছাড়া প্রকাশিত উক্ত সংবাদটি লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি, মানসিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে।
সূত্রমতে, প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের পেছনে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহায়ক (পিয়ন) মহসিন এবং ক্যাশিয়ার জসিম উদ্দিন মৃধার–এর প্রত্যক্ষ প্ররোচনা ও প্রভাব থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নষ্টের উদ্দেশ্যে তাদের মাধ্যমে তথ্য বিকৃত করে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের স্বার্থে এই প্রতিবাদ সংবাদটি প্রকাশ করা হলো।
What's Your Reaction?