বান্দরবান জেলা ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপিকে ‘‘এক খোলা বার্তা’’ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা শাখার সংগঠক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি ছাত্রদল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সংগঠক আমির হোছাইন ,তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডি থেকে গত ৩১শে জুলাই পোষ্ট করে বান্দরবান জেলা- নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপি কে ‘‘এক খোলা বার্তা জানান’’ বান্দরবান ৩০০নং আসন বিগত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন; বিগত ১৯৯৬ সংসদীয় নির্বাচন হইতে দ্বাদশ নির্বাচন পর্যন্ত লক্ষ্যে করলে দেখবেন ০৬ টি জাতীয় নির্বাচন; তারমধ্যে ২০১৪ ও ২০২৪ নির্বাচন বিএনপি বর্জন করেছিল, বাকি থাকে ০৪ টি নির্বাচন, এই চারটি র্নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিল কিন্তু বিজয় হতে পারেনি, ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠিত হইলেও বান্দরবানে এমপি হয়ে ছিল আওয়ামী লীগ নেতা বীর বাহাদুর। এক কথায় দুই যুগের অধিক আওয়ামীগের দখলে ছিল পার্বত্য বান্দরবান।
বিএনপির দলের দুঃসময়ে সম্পর্ক ছিন্ন করে আওয়ামী লীগের সুবিধা ভোগ করা নেতাদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন; আমি দেখেছি গত সতেরো বছর কট্টর বিএনপি করা ব্যক্তিরা বিভিন্ন পর্যায়ে স্থানীয় নির্বাচনের অংশগ্রহন করেছে, অনেকে বিজয়ও নিশ্চিত করেছে। তার মধ্যে অনেকেই দেখা গেছে যে, ক্ষমতার মোহ এমন ভাবে তাদেরকে গ্রাস করেছিল তারা শেখ মুজিব কে বাপ ডাইকা শেখ হাসিনা কে মা ডাইকা কট্টর আম্লীগ হইয়া গেছিল। নিলজ্জ্বের মত তারা নৌকার পক্ষে ভোট চাইতো। তৎসময়ে আওয়ামী লীগের রাতারাতি ভোট ডাকাতি আমলে বিপুল ভোটের মাধ্যমে পৈৗর মেয়র বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন জননেতা জাবেদ ভাই। উনি কি মুজিব কে বাপ ডাইকা হাসিনা কে মা ডাইকা কি আম্লীগ হয়ে গিয়েছিল? উনি পৌর মেয়র নির্বাচিত হওয়া পর উনার বিরুদ্ধে কোন কেন্দ্রীয় নোটিশ জারি হয়েছিল? উনি কি নৌকা প্রার্থীর পক্ষে হয়ে নৌকার ভোট চাইছিল? আমার উত্তরে না। তোহ তাহাকে নিয়ে আপনাদের এতো জ্বলে কেন? উনাকে নিয়ে আপনাদের এতো চুলকানি কেন? ফেইক আইডি সহ বিভিন্ন মাধ্যমে উনার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কেন? আপনাদের কি উনার জনপ্রিয়তা দেখে হিংসে হয়? ভাল না লাগলে এড়িয়ে চলেন, যিনি ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে তিলে তিলে পরিশ্রম, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ, জুলুম নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে দুই দুই বার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব নির্বাচিত। যার পিছনে হাজার হাজার নেতা-কর্মী। উনি একজন জাতীয়তাবাদীর বিশ্বস্ত হাতিয়ার তৈরির কারিগর তা আমি আপনি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জাবেদ ভাই জাতীয়বাদির নিবেদিত এক জলন্ত প্রাণ। অন্যের বিরুদ্ধে অহেতুক মিথ্যা প্ররোচনা চালিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হতে কাউকে দেখি নি, দেখেছি ধ্বংস হতে।
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পতনের পর নেতাকর্মীদের বলেন; দেখতেছি পাচঁ তারিখে পর যারা দুঃসময়ে দলীয় সম্পর্ক ছিন্ন করে আম্লীগ নেতাদের সুবিধা নিতো, কেন্দ্রীয় ঘোষিত বহিঃকৃত নেতাকর্মী এবং ছাত্রলীগ-যুবলীগহ তাদের নিয়ে সমাবেশ মিছিল মিঠিং করেন, আরে ভাই দলের কি লোকজন কম, নাকি অন্যান্য বিষয়। দল ছেড়ে আম্লীগ থেকে মধু খেতে যাওয়া লোক কে কমিটিতে নেওয়ার তদবির করবেন, স্বজনপ্রীতি-অর্থপ্রীতি মধ্যতায় কমিটিতে পদ দিবেন, আম্লীগ দোসরদের শেল্টার দিবেন, তাদের জন্য বিভিন্ন জায়গা সুপারিশ করবেন এটাতো মানা যায় না। আগামী ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন নিয়ে বলেন ; সতেরো বছর আমাদের এত আন্দোলন সংগ্রাম জুলাই-আগষ্ট অভ্যুত্থান মধ্যে দিয়ে সমাপ্তি ঘঠে। তবে এই সমাপ্তি আমাদের সংগ্রাম শেষ বলে আমার মনে হয় না। আমাদের জন্য সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করতেছে তা হইলো ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন। আমরা আর কোন কোন্দল চাই না, আমরা চাই সব ভেদাবেদ-কোন্দল অবসান ঘটিয়ে প্রতিটি উপজেলায়-ইউনিয়নে যৌথসভা আয়োজন করা। ঐক্যবদ্ধতার মধ্য দিয়ে আগামী ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচনে বান্দরবান ৩০০ নং আসন ধানের র্শীষ প্রতিক বিজয় নিশ্চিত করা। কেন্দ্রীয় ঘোষণায় কে প্রার্থী হবে সেটা মূখ্য বিষয় না, আমাদের লক্ষ্যে হবে ধানের র্শীষ প্রতীক বিজয় নিশ্চিতকরণ। তবে এইবারে তারুণ্যের প্রতি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চোঁখ। তারুণ্যের নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে তারেক রহমানের স্বপ্ন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান-৩০০ নং আসন অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ, অতীতের নির্বাচন ছিল ২/৩ দলীয়, আগামীতে হতে যাচ্ছে বহুদলীয় নির্বাচন। অনেক দলের দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা না হওয়ার আগেই ফিল্ডে প্রচার-প্রচারণা শুরু। অথচ আমরা এখন টেন্ডার অফিসে, বিভিন্ন প্রকল্প অফিসে, আম্লীগ দোসর বাচাঁনোর তদবিরে। সবার প্রতি আমার বার্তা সজাগ হউন, সচেতন হউন। ফিল্ডে লেগে থাকুন, জনতার দুয়ারে যান, দলীয় মেসেজ পৌছান।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ, তারুণ্যের প্রতিক আগামীর বাংলাদেশ বির্ণিমানের কারিগর তারেক রহমান জিন্দবাদ, আমার নেতা জাবেদ রেজা জিন্দাবাদ।
What's Your Reaction?