সরকারের বিধি লংঘণ করে নামজারী, ভূমি দস্যুর দখলে গোরস্তান
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: পাকুন্দিয়া উপজেলার জরিরপাড় গ্রামে ১৯০ বছরের পুরাতন গোরস্হান এর জায়গা থেকে জাল- জালিয়াতি ও তন্চকীপূর্ণ কাগজপএ দিয়ে নামজারী অতঃপর বাড়ী তৈরি করার পরিকল্পনা। প্রতিবাদ করায় জানমালের হুমকীতে দুই সহোদর। পাকুন্দিয়া উপজেলার পাঁচলগোটা মৌজার আরুস দাগ ৭৫৮ এর মাএ সাড়ে তিন শতাংশ জায়গায় ১৯০ বছরের পরাতন গোরস্তান টির দাবীদার একই গ্রামের মৃত আক্তার উদ্দিনের পুএ মামুন (৪০) ও মাসুদ ( ৩৫) নামের দুই সহোদর। তাদের ভিটেবাড়ী মিলিয়ে ৪ শতাংশ জমির মালিক দখলকার। তাদের অন্তিম ইচ্ছা তাদের মৃত্যুর পর যেন পূর্ব পূরুষের রেখে যাওয়া কবরস্তানে ই সমাহিত হন। কিন্তু হত দরিদ্র মাসুূদ মামুনের পূর্বপুরুষের রেখে যাওয়া শেষ ম্সৃতিচিন্হটি ও মুছে দিতে নজর পড়ে যায় ভূমি দস্যুদের।। কবরস্তানেই বাড়ী নির্মাণ করার জন্য গোরস্তানের সাড়ে তিন শতাংশ জায়গা দখলের পায়তারা করে আসছে। জমির অপর অংশীদার মোঃ মাসুদ মিয়া গোরস্তানের জায়গা পূনঃ সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নিলে বাধা হয়ে উঠে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম। যাকে এলাকায় গোরস্তান দখলকারী হিসেবে সমধিক পরিচিত। এলাকাবাসীর দাবী প্রবীন দের অনেকের লাশ এখানে সমাহিত করা হয়েছে। ভূমি খেকো নব্য পূঁজিপতি এ ব্যবসায়ী মোটা টাকার বিনিময়ে অসম্ভব কে সম্ভব করে ফেলেন। এর বাস্তবতা হচ্ছে গোরস্তানের জায়গা নিজ নামে খারিজ করিয়ে নেয়া। অনুসন্ধানে জানাগেছে , বর্তমানে পাটুয়াভাংগা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল কাসেম এর যোগসাজসে দুই সহোদর কে নতুন ভাবে আইনী জটিলতায় ফেলানোর জন্যও একটা মহল জোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সরকারী বিধি অনুযায়ী উপাসনালয়, গোরস্তান ও শ্বশাণে খাজনা অব্যাহতি থাকলেও তৎকালীন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিনের কারনিক চাতুর্যতায় আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে মুহূর্তে ই গোরস্তান হয়ে যায় ব্যাক্তি মালিকানাধীণ। তার দপ্তরের ৯৭৫ নং চর্চাখতিয়ানে ৬ শতাংশ জমির মালিক হয়ে যান অপর একজন। জীবনের শেষ ঠিকানাটি যথাযথ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত রাখতে ৩০ অক্টোবর ২০২৫ সহকারী কমিশনার ( ভূমি) পাকুন্দিয়া কে অবহিত করেন। একই বিষয়ে লিখিতপএ ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) কে প্রেরণ করা হয়। এ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?