পল্লবী থানাধীন ৩ নং ওয়াডের শ্রমিক দলের নেতাদের চাঁদাবাজী তে অতিষ্ট এলাকার সাধারণ জনগন

Aug 9, 2025 - 17:04
 0  354
পল্লবী থানাধীন ৩ নং ওয়াডের শ্রমিক দলের নেতাদের চাঁদাবাজী তে অতিষ্ট এলাকার সাধারণ জনগন

নিজেস্ব প্রতিবেদক 
৫ই আগষ্ট ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগের পতনের পরে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার যেন এক প্রকার স্বপ্নে রয়ে গিয়েছে সমাজের কিছু চাঁদাবাজদের অপকর্মের জন্যে পল্লবী এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানা (২৪), বেনারশী পল্লীতে মিরপুর বেনারশী কুটি নামক শাড়ীর দোকানের কর্মচারী গত কয়েক মাস যাবৎ এলাকার নামধারী সন্ত্রাসী সেকেন্দার (৪৫) তার সহযোগী পল্লবী থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক বশিরুল আলম বশির,৩ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন,সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর,সানজু সহ এদের বাহিনী নানান ভাবে ভয়ভীতি ও মারধর করে চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা আদাও করে এক পর্যায়ে এতেই তারা থেমে থাকেনি তারা ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে বসে ভুক্তভুগি সোহল রানার কাছে যা দিতে অস্বীকার করলে তার উপর শুরু হয় এক ভয়ঙ্কর অমানবিক অত্যাচারের মারধর করে ছেড়ে দিয়ে বলা হয় ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা না দিলে জানে মেরে ফেলা হবে তাকে।গত ১০-০৭-২০২৫ রাত আনুমানিক ১০:৩০ মিঃ ভুক্তভুগি সোহলকেতার কর্মস্থলে গিয়ে মারধর করে সেকেন্দার তার দলবল নিয়ে যা দোকানের সিসি টিভি তে ধরা পরে। ভুক্তভুগীর অভিযোগ এই বিষয়ে ২ দিন পল্লবী থানার দারস্থ হলেও থানা থেকে কোন সহযোগিতা না পেয়ে দিশে হারা হয়ে পড়ি পরে সেনা বাহিনর কাছে অভিযোগ করে পরে ১ নং আসামী সেকেন্দার কে ধরাতে সক্ষম হোন ভুক্তভুগি।গত ২৭-০৭-২০২৫ ইং তারিখে পল্লবী থানায় মামলা করেন তিনি ভুক্তভুগি।

      
ভুক্তভুগি সোহেল জানান বর্তমান যেইখানে কর্মরত আছি ওই মালিকের দোকান সহ বাড়িগুলোর কার্যক্রম দেখাশুনার কাজ করি এবং উক্ত ভবনের ফ্লাট গুলোর ভাড়ার টাকা উত্তোলন করে ব্যাংকে জমা রাখা সহ উত্তোলন এর কাজ করেন তিনি।এছাড়াও আমার উক্ত বাসার মালিক নুর হোসেন এর অন্যান্য ভবনের ফ্ল্যাট ভাড়া উত্তোলন করে ব্যাংকে জমা রাখি।১০/০৭/২০২৫ তারিখে আল হেলাল হাসপাতাল সংলগ্ন আমার মা মহাজন নুর হোসেনের মালিকানাধীন ভবন থেকে ভাড়া বাবদ ১,০৩,৫০০/-(এক লক্ষ তিন হাজার পাঁচশত) টাকা উত্তোলন করে দিবাগত রাত আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকায় সেকশন ১০. ব্লক-এ,বেনারশী পল্লী আমার মহাজনের শাড়ীর দোকানে আসি।উক্ত দোকানে ৪০/৪৫ মিনিট অবস্থান করি।তখন মহাজন কোক ও টিস্যু কেনার জন্য অনুরোধ করে আমাকে আমি উক্ত টাকা সাথে নিয়া প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র ক্রয় করে পুনরায় দোকানের দিকে আসার পথে অর্থাৎ রাত আনুমানিক ০১.৩০ ঘটিকায় পল্লবী থানাধীন সেকশন-১০ এর ৪ নং রোডে পাকা রাস্তার উপর পৌছানো মাত্রই কিছু সন্ত্রাসীদের বাহিনী রিক্সা যোগে এসে পিছন হতে আমার গলায় চাপ দিয়ে ধরে এবং আমার নাকের উপর ও কপালের বাম পাশে স্বজোরে ছুরি মারে আমার গলায় চাপ দিয়ে ধরে এবং আমাকে ধরে আমাকে অজ্ঞান করার চেষ্টা করে আমার পরিহিত প্যান্টের বাম পকেটে থাকা উল্লেখিত ১,০৩,৫০০/- (এক লক্ষ তিন হাজার পাঁচশত) টাকা, আমার প্যান্টের ডানে থাকা আমার ব্যক্তিগত ব্যবহৃত মোবাইল ফোন যাহার আনুমানিক মূল্য- ২৮,০০০ (আটাশ হাজার) এবং আমার পেছনের পকেটে থাকা মানি ব্যাগে যাহার মধ্যে ১৩,৫০০/-(তের হাজার পাঁচ শত) টাকা ছিল জোরপূর্বক ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।এই বিষয়ের সিসি টিভি ফুটেজ গুলো বের করে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি এই সকল ছিনতাইকারিরা সেকেন্দার (৪৫), পল্লবী থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক বশিরুল আলম বশির,৩ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন,সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর ও সানজু র লোকজন তারাই পরিকল্পিত ভাবে এইকাজ করিয়েছে।একাধিকবার খবর পাঠিয়েছে চাঁদা না দিলে বিবাদীরা আমাকে গুলি করে হত্যা করবে। এরপর এই সন্ত্রাষীরা পুনারায় আমার বাসায় লোক পাঠিয়ে আমার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদান করে আমার অবস্থান জানতে চায় এবং তাদেরকে এই বলে হুমকি প্রদান করে যে,চাঁদা না দিলে সন্ত্রাষীরা আমাকে গুলি করে হত্যা করবে বলে হমকি প্রদান করে। বর্তমানে সন্ত্রাষীরা তাহার বিভিন্ন লোক দ্বারা আমাকে রাস্তাঘাটে অনুসরণ করে ভয়ভীতি দেখায় এই রূপ সব সময় অনুসরন করিয়া আসিতেছে এবং গত ২২/০৭/২০২৫ইং তারিখে সন্ত্রাষীরা তাহাদের সন্ত্রাসী বাহিনী ৭৮ জন নিয়ে আমার দোকানের আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখলে আমি ভয়ে দোকান হতে পালিয়ে যাই নিজের জীবন রক্ষার ভয়ে। সেকেন্দার ও বশির তাঁদের দল-বল নিয়ে আমার দোকানে আসে প্রত্যেক মানে ২ বার ৫ হাজার টাকা করে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।এইটা আমার কাছে ভিডিও এবং অডিও প্রমান সহকারে আছে। সেকেন্দারের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় একাধিক মামলা আছে চাঁদাবাজি,মাদক,গুলি করে হত্যা করার মামলা সহ নারী নির্যাতনের মামলা রয়েছে বলে জানান ভুক্তভুগি। উক্ত সন্ত্রাষীদের এরূপ কর্মকান্ডের কারণে আমি এবং আমার পরিবারবর্গ জনসম্মুখে অপমানিত,লাঞ্ছিত,হেয়-প্রতিপন্ন সহ বিভিন্ন সমস্যা ও বিব্রতকর পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে ভয়ে ও অনিরাপদে মানবেতর জীবন-যাপন করছি।এখন আমি ও আমার পরিবারবর্গ সংশয়ে ও আতংকে আছি যে,উক্ত সন্ত্রাষীরা ভবিষ্যতে/পরবর্তীতে আবারো আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গের পারিবারিক, সামাজিক,মানসিক,শারিরীক ও অর্থনৈতিকভাবে বড় ধরণের ক্ষতিসাধন করিতে পারে।এই ভাবে একটা স্বাধীন দেশে যদি থাকতে হয় এর চেয়ে বড় দুঃখ বা কষ্ট আর কিছু হতে পারে না বলে আক্ষেপ করে ভুক্তভুগি।ভুক্তভুগির দাবি আসামীরা সকলে বি এন পির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় থানা পুলিশ সহযোগিতা করতে ভয় পাচ্ছে আমি আমার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেনা বাহিনীকে নিয়ে ১ নং আসামী সেকেন্দারকে ধরিয়ে দেই যেই কাজ ছিলো থানা পুলিশের।মামলা করেছি টার পরেও কোন আসামী ধরছে না থানা থেকে, থানায় কথা বলতে গেলে উনারা আশ্বাস দেন যে কাজ করছেন কিন্তু বাস্তবে কিছুই করছেন না বিধায় অন্যান্য আসামীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।


এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানাগিয়েছে জাফর, আলামিন ও সানজু শ্রমিক দলের পদকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে এমন কোন অপকর্ম নেই যে তারা করছে না এলাকায়।এলাকায় গত ৫ই আগষ্ট এর পর থেকে বেপরোয়া আওয়ামীলীগের দোষর বলে যাকে তাকে ভয়ে-ভীতি দিয়ে টাকা চাওয়া টাকা না দিলে মামলায় ঢুকিয়ে দিবে বলে হুমকি-ধামকি দেওয়া,কেউ বাড়ি তুললে চাঁদা চেয়ে বসে। মিরপুর -১০ নাম্বার জুটপট্টি থেকে শুরু করে বিহারী ক্যাম্পের বাসিন্দারাও বাদ পরে নি তাঁদের এই সকল জুলুম-অত্যাচার থেকে।এলাকাবাসী প্রতিবাদ করতে ভয় পায় প্রতিনিহিত মধ্যপ হয়ে এসে চিল্লাইয়া বলে থানা পুলিশ তাঁদের কথায় উঠে বসে এবং মাঝে মাঝে পল্লবী থানার কিছু পুলিশ নিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়ায় যাতে জনমনে তাঁদের ভয় যাতে বহমান থাকে।৩ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী তার নামে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা। এই সকল তথ্য দিয়েছেন নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি তিনি আরও বলেন এই সকল লোক জন যদি পথধারী নেতা হয় তা হলে সমাজের খারাপ ছাড়া ভালো কিছু আসা করা যায় না এই বিষয়ে বি এন পির সিনিয়র নেতাদের খেয়াল রাখা উচিৎ।
এই বিষয়ে মিরপুরের ডিসি  কে মুঠো ফোনে একাধিক বার কল দিলেও কল ধরেন নি।পরে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) সালেহ মোহাম্মদ জাকারিয়া কে মুঠো ফোনে একাধিক বার কল দিলে ফোন ধরে কথা বলেন তাকে এই বিষয়ে জানালে বিরক্তি ভাব নিয়ে জানান আসামী ধরা আমার কাজ না এইটা থানার কাজ আপনি থানায় যান।
পরে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি )শফিউল আলমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আসামী ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা।
দায়িত্বরত এই সকল কর্মকর্তার এই ধরণের উদাসীন মনো ভাবে এর কারণে পুরো পল্লবী জুড়ে বেড়েই চলেছে চাঁদাবাজী, হত্যা,মাদক,ব্যবসা সহ নানান অপকর্ম।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow