সরিষাবাড়িতে অনলাইনে কেক বিক্রিতে সাড়া ফেলেছে ‘কেক কর্ণার’
জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলায় ঘরে বসেই মানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত কেক পৌঁছে দিচ্ছে একটি অনলাইনভিত্তিক উদ্যোগ—‘কেক কর্ণার’। তরুণ উদ্যোক্তা মিথিলা ইসলামের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়েই স্থানীয়ভাবে আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সরিষাবাড়ি উপজেলা পরিষদ এলাকার বাসিন্দা মিথিলা ইসলাম পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের সৃজনশীলতা ও আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে শুরু করেন কেক তৈরির কাজ। শুরুটা ছিল ছোট পরিসরে, আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের অর্ডার দিয়ে। ধীরে ধীরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পেজ খুলে অনলাইনে অর্ডার নেওয়া শুরু করেন তিনি। বর্তমানে জন্মদিন, বিয়ে, আকিকা, কর্পোরেট অনুষ্ঠান, গায়ে হলুদসহ বিভিন্ন আয়োজনের জন্য নিয়মিত কেক সরবরাহ করছে ‘কেক কর্ণার’। উদ্যোক্তা মিথিলা ইসলাম জানান, “আমি সবসময় চেষ্টা করি ঘরে তৈরি, তাজা ও মানসম্মত উপকরণ দিয়ে কেক বানাতে। ক্রেতার চাহিদা ও পছন্দ অনুযায়ী ডিজাইন কাস্টমাইজ করা হয়। আমার লক্ষ্য, সরিষাবাড়ির মানুষ যেন শহরের মতো মানসম্মত কেক ঘরেই পায়।” প্রতিষ্ঠানটিতে পাওয়া যাচ্ছে ভ্যানিলা, চকলেট, ব্ল্যাক ফরেস্ট, রেড ভেলভেট, পাইনঅ্যাপলসহ বিভিন্ন ফ্লেভারের কেক। এছাড়াও রয়েছে থিম কেক, ফন্ড্যান্ট কেক, কাপকেক ও ডেজার্ট আইটেম। বিশেষ দিন ও উৎসবকে কেন্দ্র করে থাকে আকর্ষণীয় অফার। স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, ‘কেক কর্ণার’-এর কেকের স্বাদ ও ডিজাইন দুটোই সন্তোষজনক। সময়মতো ডেলিভারি ও সাশ্রয়ী মূল্য প্রতিষ্ঠানটির জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, এ ধরনের অনলাইন ব্যবসা তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা। ঘরে বসেই দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা সম্ভব—‘কেক কর্ণার’ তারই একটি উদাহরণ। স্বপ্ন দেখছেন আরও বড় পরিসরে কাজ করার। ভবিষ্যতে নিজস্ব বেকারি শপ চালু করার পরিকল্পনাও রয়েছে উদ্যোক্তা মিথিলা ইসলামের। সরিষাবাড়ি থেকে শুরু হলেও একদিন পুরো জামালপুর জেলায় ‘কেক কর্ণার’ একটি পরিচিত ব্র্যান্ড হবে—এমন প্রত্যাশা তার। মেহেদী হাসান জামালপুর। ২০-০২-২০২৬
What's Your Reaction?