একজন রোল মডেল ও কিংবদন্তির গল্প

28

ড. আব্দুর রাজ্জাক জন্ম ১লা ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫,টাংগাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পর তিনি যুক্তরাজ্যের অ্যাঞ্জেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর কৃষি গবেষণা বিষয়ক পড়ালেখা করেন। বাংলাদেশে ফার্মিং সিস্টেম রিসার্চ ও স্থায়ী গ্রামীণ কৃষি উন্নয়ন বিষয়ে তিনি অন্যতম একজন বিশেষজ্ঞ।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) একজন বৈজ্ঞানীক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং ২০০১ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদের প্রধান বৈজ্ঞানীক কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরীজীবন শেষ করেন।

ড. আব্দুর রাজ্জাক একাধারে একজন বাংলাদেশি কৃষিবিদ ও রাজনীতিবিদ। তিনি ২০০১, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে টাংগাইল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের তৎকালীন খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এ মন্ত্রণালয়কে ভাগ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় নামে পৃথক দুটি মন্ত্রণালয় তৈরির পর তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি মন্ত্রী হিসেবেও দক্ষতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দেন। ২০১৪ সাল থেকে তিনি জাতীয় সংসদের ‘অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি’র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সালে আব্দুর রাজ্জাক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য (সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটি) নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনার জন্য গঠিত নির্বাচন সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক সমন্বয় উপকমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন। একই নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে টাংগাইল-১ আসনের মনোনয়ন পেয়েছেন।

এই মহান ব্যক্তির এই দীর্ঘ জীবনে নেই কোন দুর্নীতি,অর্থআত্মসাদ বাঋণখেলাপির মতো ইতিহাস। তিনি জাতীয় জীবনে তিনি একজন রোল মডেল ও কিংবদন্তি হিসেবে সর্বদা অনুকরণীয়।

ভাগ