উলিপুরের তিস্তা নদী ভাঙ্গার আর্তনাদ

25

মোহাইমিনুল উলিপুর প্রতিনিধি: উলিপুরে তিস্তা নামের নদীটি ছিল অামাদের বাড়ি থেকে অন্তত পক্ষে ৭ থেকে ৮ কিলোা দুরে। নদীর গল্প শুনতাম অনেকের মুখে থেকে। কিন্তু আজ নিজেই নদীর গল্প লিখছি! এক কঠিন
বাস্তব!
ছিল চোখ ধাধানো প্রকৃতির অপরুপ সাজে এক সুবিশাল বাড়ি। বাপ দাদারা সবাই মিলে মুখরিত একটি যৌথ অনাবিল সুখের পরিবার।
গ্রামের সহজমনা মানুষ গুলো যাদের পরম মমতার সাথে গড়ে ওঠেছিল অাত্নার বাঁধন। অবশেষে লোকমুখে গল্পশোনা সেই তিস্তা
ক্রমেই নিজেদের আর্তনাদের গল্প হবে কোনক্ষনে ভাবিনি। একটি সুখী পরিবার, সুখী সমৃদ্ধ মমতায় জড়ানো গ্রামটি ভেঙ্গে চৌচির করে দেবে ভাবতেই অবাক আর
চোখে জল চলে অাসে। দীর্ঘশ্বাঃসে দম বন্ধ হয়ে হয়ে এ কি হারানো বেদনা!
তিস্তার পেটে সবতো গেলই, স্বর্বস্ব হারিয়ে আমাদের মত আরো অনেক হতভাগাই আজ চোখে শর্সের ফুল দেখে। আর্তনাদের বুক হাহাকার করে। একে বাধনে সাজানো পরিবারটি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। কেউ গেল চরে, কেউ গেল শহরে, কেউবা অনেক দুরে।
দেখা নাই কথা নাই, অাগের মত মমতা নাই। মৃত্যুর খবরটাও হয়ত শুনতে হয় কবরে দাফনের পরে। তিস্তা কত নির্মমতা কত বেদনাহত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

একে একে পরিবারের প্রিয় মুখগুলো খশে যেতে শুরু করেছে কিন্তু দুঃভার্গের বিষয় হল নদীভাঙ্গার কারনে সেই দুরে থাাকার আর্তনাদ! আসতে আসতে দাফন শেষ, শেষ দেখাটাও ভাগ্যে জোটেনা। কি তিস্তার নির্মম পরিহাস।
নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ করুন। মানুষ বাঁচান, মাটি বাঁচান, পরিবেশ বাঁচান, দরিদ্র কমান।
লেখকঃ শামীম আলম,যুগ্ন সম্পাদক “তিস্তা নদীভাঙ্গন থেকে থেতরাই হোকডাঙ্গা দলদলিয়া ও উলিপুর বাঁচাও গনকমিটি।

ভাগ