গণধর্ষণের মামলায় নোয়াখালীর সুবর্ণচরে আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেফতার আরো ২

28
আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন। ফাইল ছবি

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ভোটের দিন গণধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ আরো দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই মামলায় মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হলো।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, বুধবার গভীর রাতে জেলা সদরের একটি হাঁস-মুরগির খামার থেকে রুহুল আমিনকে এবং সেনবাগের একটি ইটভাটা থেকে বেচুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রুহুল আমিন সুবর্ণচর উপজেলার চর জুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের মৃত খুরশিদ আলমের ছেলে। তিনি সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এবং চর জুবলী ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। বেচু (২৫) মধ্যম বাগ্যা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি এই মামলার ৫ নম্বর আসামি।

এর আগে বুধবার কুমিল্লার বড়ুড়া উপজেলার মহেষপুরের একটি ইটভাটা থেকে মামলার প্রধান আসামি সোহেলকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলা থেকে মামলার তিন নম্বর আসামি স্বপনকে(৩৫) গ্রেফতার হয়। সোমবার মামলার ছয় নম্বর আসামি বাসুকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে বুধবার রাতে পুলিশের চট্টগাম রেঞ্জের ডিআইজি গোলাম ফারুক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নোয়াখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী ওই নারী ও তার স্বামীকে দেখতে যান। এ সময় তিনি স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসপাতালে ভুক্তভোগী ওই নারী ও তার স্বামীর চিকিৎসার খোঁজ দেন।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাতে চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের সোহেল, হানিফ, স্বপন, চৌধুরী, বেচু, বাসু, আবুল, মোশারেফ ও ছালাউদ্দিন এক নারীর (৪০) বসতঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে তারা ওই নারীরর স্বামী ও মেয়েকে বেঁধে রেখে তাকে ঘরের বাইরে নিয়ে গণধর্ষণ করে ও পিটিয়ে আহত করে। পরদিন ওই নারী ও তার স্বামীকে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী ৯ জনকে আসামি করে চরজব্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।

ইত্তেফাক/ইউবি

ভাগ