নড়াইলে মারা যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী-সন্তানকে দেখতে হাসপাতালে মাশরাফি

107

নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর নড়াইল ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মৃত মনিরুজ্জামান মিন্টুর (৪০) স্ত্রী রাবেয়া বেগম ও নবজাতক তানিশাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। সোমবার রাতে সদর হাসপাতালে যান তিনি।

এসময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন তার সঙ্গে ছিলেন। নিহত মনিরুজ্জামান যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার ইন্দ্রা গ্রামের মমিন বিশ্বাসের ছেলে।

নড়াইল সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. মীনা হুমায়ুন কবীর বলেন, গত ২৯ ডিসেম্বর মৃত মনিরুজ্জামান মিন্টুর স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে সদর হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে একটি কন্যা সন্তান ভূমিষ্ট হয়। বর্তমানে রোগী রাবেয়া বেগম ও তার কন্যা সন্তান তানিশা ভাল আছে, দ্রুতই তারা বাসায় ফিরতে পারবেন।প্রসঙ্গত, গত ২৭ ডিসেম্বর দুপুরে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দেবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তার স্ত্রী সুমনা হক সুমি পথ সভায় বক্তব্য রাখেন। সভা শেষে বিকেল ৩টার দিকে দেবী থেকে ফেরার সময় ডিবি পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এসএসআই) মনিরুজ্জামান মিন্টু বুকের ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় মাশরাফির বহরে থাকা একটি প্রাইভেটকারে করে তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংবাদ শুনে মাশরাফি বিন মর্তুজা লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান। পরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে নড়াইল পুলিশ লাইনে লাশ নিয়ে আসে। ওই দিন সন্ধ্যায় পুলিশ লাইনে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার গ্রামের বাড়ি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ইন্দ্রা গ্রামে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম

ভাগ