সাবিনা আক্তার তুহিন এমপি একজন পূর্নাঙ্গ রাজনীতিবিদ : ঢাকা-১৪ আসনের জনগন

117

রাজপথ কাঁপানো নারী নেতৃত্ব উজ্জ্বল নক্ষত্র যুব মহিলা লীগের আইকন খ্যাত একজন সুযোগ্য কর্নধার ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন এমপি। অসাধারন প্রতিভাবন ও সুবিচক্ষনতার অধিকারি এ নেত্রী নারী জাগরনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং মহিলা এমপি হিসেবে কাজ করছেন। রাজধানী ঢাকার মীরপুরের গণমানুষের প্রিয় এই নেত্রী ইতিমধ্যে দেশরত্ন শেখ হাসিনার অতন্ত্য আস্থাভাজন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। দলের দুর্দিনে সবসময় আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি ৫৬টা মামলা খেয়েছিলেন,১৮ বার জেল খেটেছেন, ২১ দিনের শিশুকে রেখে বাসায় রেখে জেলে যেতে হয়েছিল এই ত্যাগী নেত্রীকে।

সদা মিষ্টভাষী এ নেত্রী মাঠে কাজ করতে সকলকে কাছে টেনে নেওয়ার মানবিক গুনাবলী প্রখর। অল্পদিনেই এই নেত্রী মিরপুরবাসীর মনে দাগ কেটেছেন এবং আস্থার জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন। মিরপুরবাসী এখন আতঙ্ক থেকে বের হয় সুস্থধারার রাজনীতিক সম্পন্ন জনপ্রতিনিধি পেতে উদগ্রীব হয়ে আছেন। তিনি মহিলা এমপি হিসেবে এলাকার উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত করেছেন, দলের নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। রাজনীতিতে সাধারন জনগনের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাধারন জনগনকে নিয়ে সভা-সমাবেশে অভিযোগ শুনেছেন। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগের উন্নয়নমূলক কাজগুলোর প্রচারের পাশাপাশি, জনগনের দুঃখে কষ্টে আপনজনের মতো পাশে দাড়াতে চেষ্টা করছেন। স্বচ্ছ রাজনীতির এ নেত্রী ঢাকা-১৪ আসনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন।

মনোনয়ন এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলের দুর্দিনে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলাম, ২১ দিনের শিশুপত্রকে বাড়িতে রেখে জেল খেটেছি। জনগনের সুখে- দুঃখে পাশে দাড়িয়েছি। তাঁরা চায় আমি যেন আগামীতে নির্বাচন করি। মনোনয়ন দেয়া না দেয়া নেত্রীর বিষয়। তিনি যাকেই মনোনয়ন দেবেন আমি তাঁর জন্য কাজ করব।’

স্কুল জীবনে জননেত্রীর শেখ হাসিনার সাথে সাবিনা আক্তার তুহিন এমপির স্মৃতি:

#আমার স্কুল জীবনে রাজপথে দেখা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আবেগময় স্মৃতি,বিএনপির অপশাসনের বিরুদ্ধে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ পদযাত্রা দিয়েছিলেন সেদিন আমি আমি কর্মী ছিলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার আজ ও আছি নেত্রী আপনার কর্মী হয়ে, শৈশব কৈশরের প্রিয় মানুষ ভালবাসা আপনি মৃত্যু যেন হয় আপনার কর্মী হয়ে ।
ভালবাসার মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি কারন আপনাকে মমতাময়ী মায়ের রুপে দেখে মুগ্ধ হয়েছি ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার মায়ার কথা ভুলতে পারি না ,আমি তখন স্কুলে পড়ি বিশাল পদযাত্রা ছিল মহাখালী থেকে টঙ্গী ,আমার কাছে সেদিনের ছবি নেই আপনার পাশে নাজমা রহমান (মৃত) ছিল আমি তারপাশে, অনেকদূর হাঁটার পর আপনার জন্য নেতাকর্মীরা রিক্সা ঠিক করলে আপনি রিক্সায় নাজমা আপা কে নিয়ে উঠে আমাকে ডাকলেন পরম মমতায় আমাকে বললেন তুমি ছোট মানুষ এতদূর হাঁটলে কেন এই বলে আমাকে কোলে উঠিয়ে ছিলেন ,নেত্রী আমি আপনার কষ্ট বুঝে সেদিন বলেছিলাম আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক আমি হাঁটতে পারবো আমি নেমে পড়লে আপনি বার বার আমাকে দেখছিলেন পরে আপনি রিক্সা ছেড়ে দিয়েছিলেন । আপনার পিছনে স্টেজে বসে ছিলাম আপনার বক্তৃতা শেষে আপনি আমাকে বললেন তুমি কাদের সাথে এসেছো কিভাবে বাসায় যাবে ,নেত্রীর কথার পর দেখি মিরপুরের কেউ নাই আমি একটু চিন্তিত হলাম কিন্তু নেত্রী কে বললাম মিরপুরের তো সবাই চলে গেছে অসুবিধা নেই আমি একা যেতে পারবো । নেত্রী আমার সমস্যা বুঝতে পারলেন তিনি মোহাম্মদপুরের মকবুল ভাই কে ডেকে বললেন ওঁকে মিরপুর ওর বাসায় পৌঁছে দিবে ,মকবুল ভাই সেদিন আমাকে বাসায় ঠিকই পৌঁছে দিয়েছিলেন ,আমার কাছে নেত্রী এক মহামানব হয়ে গিয়েছিলেন আজও তাই মমতাময়ী মায়ের রুপ নেত্রীর দেখি বার বার আর শ্রদ্ধা ভক্তিতে উনার কর্মী হয়ে গর্বিত হই । আমি আর একটি পদযাত্রায় মিরপুরে ২৬ জানুয়ারী ৯৫ সালে আমি তখন মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কর্মী ।
আমাকে দেখে নেত্রী বললেন কেমন আছ আমি অবাক হয়ে গেলাম আমাকে মনে রেখেছে নেত্রী । আমাকে একপাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন আরেক পাশে বেবি আপা ,আমি স্লোগান দিলে নেত্রী স্লোগান ধরছিলেন আবার তৎকালীন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের হাঁটতে কষ্ট হচ্ছিল সেটা ও খেয়াল করে ধীরে ধীরে হাঁটতে বলেছিলেন । আমি নেত্রী কে যত দেখেছি তত অবাক হয়েছি, এ যে মমতাময়ী বাংলার মা।

সাবিনা আক্তার তুহিনের পরিচিতি:
সাবিনা আক্তার তুহিন ১৯৭৯ সালের ৩রা মে একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন জন্মস্থান ঢাকার মিরপুর-১, শাহআলী থানা (৮ নং ওয়ার্ড) । বাবা- মৃত হাবিবুর রহমান ভূইয়া, মাতা- মাহমুদা হাবিব । দু’জনই অত্যন্ত সৎ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ছিলেন।তার বাবা পেশায় ছিলেন একজন সরকারী চাকুরীজীবি, একাধারে তিনি ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ । রাজনীতির অঙ্গনে ছাত্র থাকা কালীন সময়ে তিনি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান ভূইয়া এবং মা মাহমুদা হাবিব বাবার কাছ থেকে ভালবাসা এবং মায়ের কাছ থেকে সংগ্রামের শিক্ষা পেয়েছেন তিনি। মাকে জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই আদর্শ মনে করেন। আর বঙ্গবন্ধুর প্রতি সেই ছোটবেলা থেকেই এক অদৃশ্য টান অনুভব করেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা আলোচিত “সাবিনা আক্তার তুহিন” বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুব মহিলা লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি।

ভাগ