বিক্ষিপ্ত সহিংসতায় শেষ হলো দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ

52

বিক্ষিপ্ত সহিংসতায় শেষ হলো দ্বিতীয় দফা ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে গণনা। প্রথম দফার মতো এবারও বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ হয়েছে।

ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে, নিহত হয়েছে এক শিশু। আর যশোর প্রাণ গেছে আরও একজনের। ভোলায় পুলিশের রাবার বুলেটে আহত হয়েছেন এনটিভির স্থানীয় প্রতিনিধি। দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৬৩৯টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়। এরই মধ্যে বিভিন্ন ইউপিতে ভোট বর্জন করেছেন ১৮ প্রার্থী আর ভোট স্থগিত করা হয়েছে ২২ কেন্দ্রে।

সাত দিনের ব্যবধানে আবারো তৃণমূলের সবচেয়ে বড় ভোট। সকাল ৮টা থেকে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয় এই ভোট।

তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার খবর মিলছে।

কক্সবাজারের পেকুয়ায় জিএমজি কলেজ কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন তিন জন। আটক করা হয়েছে দুই জনকে।

কুমিল্লার বড়ুয়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের পেরপেটি বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মঞ্জুর হোসেন মজুমদারের চাচার বাড়ি থেকে ২৫টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ১৬ জনকে।

যশোরের চাঁচড়া ইউনিয়নের ভাটুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া নোয়াপাড়ায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

জামালপুরের শ্যামপুরে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা গেছেন। এদিকে জেলার মেলান্দহে একটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ এনে ফুলকোচার ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।

রংপুরের মদনখালি ইউনিয়নেও একটি কেন্দ্রে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ করেছেন বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী। যদিও তা নাকচ করেছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী।

মুন্সিগঞ্জে শ্রীনগরে নওয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে গণমাধ্যম কর্মীদের বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া নোয়াখালী, চাঁদপুর ও টাঙ্গাইলে ভোট বর্জন করেছেন তিন বিএনপি প্রার্থী ও ১জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আর কুষ্টিয়ার খালিসাকুন্ডিতে জাসদের এক প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।

ভাগ