জামাইয়ের পুরুষাঙ্গ কেটে নিল শ্বশুরবাড়ির লোকজন

103
ছবিগুলি কপিরাইট করা থাকতে পারে

মেয়েকে মারধর করত জামাই। ক্ষোভে ফুঁসছিল বাড়ির লোক। অবশেষে এক সন্ধেয় মেয়ের গায়ে তাকে হাত তুলতে দেখে তার উপরে চড়াও হল শ্বশুরবাড়ির লোক। কেটে নিল তার পুরুষাঙ্গ! এমনই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে রায়গঞ্জে। আহত জামাইকে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনা রোববার রাতের। খবর, এবেলা।

জানা যাচ্ছে, রায়গঞ্জ থানার রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা চিরঞ্জিৎ বর্মন পেশায় কাপড়ের ব্যবসায়ী। সুশীহার গ্রামের মুক্তা বর্মনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল প্রায় ৩ বছর আগে। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই চিরঞ্জিৎবাবু মদ্যপান করে স্ত্রীকে বেদম মারধর করতেন। এ নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকেদের মনে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমা হচ্ছিল।

ঘটনার দিন চিরঞ্জিৎবাবুর ছোট সম্বন্ধির বিয়ে ছিল। সেই বিয়েতে স্ত্রীকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন চিরঞ্জিৎবাবু। আকণ্ঠ মদ্যপান করার পরে তাঁর সঙ্গে বিবাদ শুরু হয় স্ত্রী মুক্তা দেবীর। তিনি স্ত্রীকে বাড়ি নিয়ে যেতে চাইলে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা আপত্তি করেন। এর পরই স্ত্রীর উপরে চড়াও হয়ে তাঁকে মারধর করতে থাকেন চিরঞ্জিৎবাবু। তখনই রুখে দাঁড়ান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। চিরঞ্জিৎকে মাটিতে ফেলে মারধোর করা হয়। তার পর ব্লেড দিয়ে তাঁর পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

রক্তাক্ত অবস্থায় চিরঞ্জিৎবাবুকে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন এলাকার মানুষ। রায়গঞ্জ থানায় শ্বশুর-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে চিরঞ্জিৎবাবুর পরিবারের লোকেরা। ঘটনার পর থেকে মুক্তা বর্মনের পরিবারের লোকেরা পলাতক। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ভাগ