চোখে কাজল পরা…..

74

কাজল পড়া মেয়েদের সাজ-গোজ এর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ । আর কাজল ও চোখের সাথে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। শুধু মাত্র একটু কাজলের ছোঁয়ায় নারীরা হয়ে ওঠেন আরও মায়াবী ও সুন্দর। চোখ দুটোকে মায়াময় করে তুলতে কাজলের ব্যবহার হয়ে আসছে প্রায় আদিকাল থেকে। একসময় আগুনের উত্তাপে নিকষ কালো দাগ ফেলা হতো কাজলদানির গায়ে। একবার করে আঙুলের কোনায় ছুঁইয়ে আলতো করে লাগানো হতো চোখের কিনারে। এখন আর আগের কাজল দানি ব্যবহার করা হয় না। কারণ বর্তমান বাজারে বিভিন্ন রকমের কাজল পাওয়া যায়।

র্তমান কাজল শুধু চোখ ভাল রাখার জন্য নয়, কাজল ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। চোখের আকার বুঝে কাজল লাগাতে হবে। চোখের আকার ছোট হলে নাকের পাশ থেকে একটু জায়গা ছেড়ে তারপর কাজল দিতে হবে। চোখের বাইরের দিকে ওপরের অংশে একটু টেনে কাজল পড়লে চোখ বড় ও সুন্দর দেখায়। আর বড় চোখের ক্ষেত্রে ওপরে নিচে অথবা টেনে কাজল দেয়া যায়। তাতে চোখ আর ও বড় দেখাবে। অনেকের কাজল লাগানোর পর তা ছড়িয়ে যায়।

তাই কাজল দেয়ার আগে চোখের নিচে একটু পাউডার লাগিয়ে নিলে ভাল হবে। কাজল দেয়া হয়ে গেলে বাড়তি পাউডার ঝেড়ে ফেলতে হবে। এরপর আঙ্গুল দিয়ে কাজল একটু ঘসে নিতে হবে। তাতে আর ছড়িয়ে পরার ভয় থাকবে না।
যাদের চোখের ওপর কাজল ঠিকমতো বসে না তারাও একইভাবে লাগাতে পারেন। এক্ষেত্রে সবসময় ভালো ব্র্যান্ডের কাজল ব্যবহার করা উত্তম।

আজকাল বাজারে কালো রঙের পাশাপাশি বিভিন্ন রঙ ও শেডের কাজল পাওয়া যায়। রুচি, বয়স ও পোশাকের সাথে মিলিয়ে তা ব্যবহার করলে সাজে বৈচিত্র্য আনে। দিনের বেলায় কালো রঙের পাশাপাশি বাদামি রঙের কাজল ব্যবহার করতে পারেন। রাতে পোশাকের সাথে মিলিয়ে যে কোনো গাঢ় রঙ যেমন নীল, সবুজ অথবা বিভিন্ন গ্লিটার দেয়া শেডের কাজল দিতে পারেন। ভ্রূর ক্ষেত্রে কাজল ব্যবহার না করে, বাদামি ভ্রূ পেনসিল বা বাদামি আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। বাজারে অনেক ব্র্যান্ডের ও নানান দামের পেনসিল অথবা লিকুইড কাজল পাওয়া যায়। হঠাৎ নতুন কোনো ব্র্যান্ডের কাজল ব্যবহার করলে‍ চোখে চুলকানি বা জ্বলুনি হতে পারে। ঠান্ডা পানির ঝাপ্টা দিলে সেক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়।

জুয়েল হিমু

ভিন্নবার্তা

ভাগ