খালেদা জিয়া শুধু মৌলবাদ বিস্তারের পক্ষেই আপোষহীন

21

স্টাফ রিপোর্টার ॥ খালেদা জিয়া হলেন এমন একজন খাঁচার তোতা পাখির মতো, যিনি মালিকের ইচ্ছার বাইরে কথা বলতে পারেন না। সেই মালিক হলো আইএস, সেই মালিক হলো পাকিস্তান থেকে আসা জঙ্গীবাদের প্রেতাত্মারা। তিনি শুধু মৌলবাদ বিস্তারের পক্ষেই আপোষহীন।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে সোমবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মৌন মিছিল ও কালো পতাকা প্রদর্শন পরবর্তী সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।

নেতারা আরো বলেন, নব্বই এর দশকে বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল। তখন বিএনপি-জামাতের প্রত্যক্ষ মদদেই তা হয়েছিল। বিএননপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু আমরা সুর মিলিয়ে বলতে চাই যে তিনি পাকিস্তানের দেশনেত্রী।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। তিনি বলেন, ২০০৫ সালের এই দিনে বিএনপি-জামাতের মদদে শেখ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাই বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক ও ধর্মভিক্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ২১ আগস্ট হামলা করেছে। এসব ঘটনার মূল উদ্দেশ্য এক। তা হলো বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে সারা বাংলার অসম্প্রদায়িক ছাত্রসমাজকে একত্রিত করে আমরা দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবো।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট গোটা বাংলাদেশ জঙ্গীদের কালো হাতে ঢেকে গিয়েছিল। বিএনপি জামাতের মদদে সন্ত্রাস ও মৌলবাদীরা সারাদেশের ৬৪ টি জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলা চালায়। সেই সরকারের আমলেই শেখ আব্দুর রহমানের মতো জঙ্গীরা এদেশে আত্বপ্রকাশ করতে পেরেছিল। আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী সারাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম হয়। জঙ্গীবাদ যাতে আর মাথা তুলে না দাড়াতে পারে অামরা সেই প্রদক্ষেপ নিব।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সন্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভাগ