কে হচ্ছেন সংরক্ষিত জামালপুর আসনের এমপি

150

জামালপুর প্রতিনিধিঃ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসন পেয়েছে। তবে জাতীয় পার্টি ২২ আসন নিয়ে বিরোধী দলে থাকার ঘোষণা দেওয়ায় সংসদে ১৪ দলীয় জোটের এমপি দাঁড়িয়েছে ২৬৬টি। এক্ষেত্রে ১৪ দলীয় জোট পাবে ৪৪টি সংরক্ষিত নারী আসন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৭ আসনে জয়লাভ করায় দলটি পাবে ৪২টি আসন এবং ১৪ দলের শরিকরা পাবে ২টি। আর জাতীয় পার্টি পাবে ৩টি সংরক্ষিত আসন। এদিকে, একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত জামালপুর আসনের কে হচ্ছেন নারী এমপি এ নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা কল্পনা। তবে জামালপুর থেকে তিনজন মনোনয়ন চাইবেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। এরা হলেন, সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি মাহজাবিন খালেদ বেবি , বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি এবং বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সাবিনা ইয়াছমিন। তারা সবাই এবার সংরক্ষিত আসনের জন্য মনোনয়ন চাইবেন।

মারুফা আক্তার পপি: ছাত্র রাজনীতিতে দাপুটে অগ্নিকন্যা হিসেবে খ্যাত।ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনিও জামালপুর-৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
সাবিনা ইয়াসমিনঃ জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক দাপুটে ছাত্রনেতা বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সাবিনা ইয়াসমিন ।দলীয় কর্মযজ্ঞের পাশাপাশি যিনি ইসলামপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে উঠান বৈঠক ও নিজ এলাকার মানুষদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুরের ৫ টি আসনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে ইতিমধ্যে সবার দৃষ্টি কেড়েছেন। দিন রাত পরিশ্রমী এই নেত্রীকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ আওয়ামী পরিবারে গুঞ্জন উঠেছে।

মেহজাবিন খালেদ বেবী: জামালপুর-২ সংরক্ষিত আসনের এমপি। দশম জাতীয় সংসদে দায়িত্ব পালন করেছেন প্যানেল স্পিকারের। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন চান আওয়ামী লীগ থেকে। এইবারও সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন চাইবেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। এসব আসনের নির্বাচনের জন্য নবনির্বাচিতদের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে দল বা জোটগুলো বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের জোটের অবস্থান নির্বাচন কমিশনকে জানাবে। সে মোতাবেক ৩০ জানুয়ারির মধ্যে তাদের এ সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। আর নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সেই তথ্যের ভিত্তিতে দল বা জোটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করে সংরক্ষিত আসন বন্টন করবে ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে। অর্থাৎ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশন এ তালিকা প্রস্তুত করবে। তালিকা প্রস্তুতের পরের কার্যদিবসে অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি সেই তালিকা নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ্য কোনো স্থানে টাঙিয়ে দেবে। আইন অনুযায়ী কোনো জোট বা দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কে কত আসন পাবে তার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন হবে আনুপাতিক। এক্ষেত্রে মোট সংরক্ষিত আসনকে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে, সেই ভাগফলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার গুণফলই হবে ওই দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা।
মেহেদী হাসান
জামালপুর প্রতিনিধি

ভাগ